• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
ফেনীতে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত বেগমগঞ্জ ডায়বেটিক সমিতির উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে যাত্রা শুরু “ওরগ্যানাইজেশন ফর ডিবেট ডেভেলপমেন্ট সংগঠনের চৌমুহনী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি অভিযোগ চাঁদপুরে হেযবুত তওহীদের ইদ পুনর্মিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সেবায় ছাত্রদল নেতা জিকু অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ

বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশার দিন বিএনপির সমাবেশ কেন: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

এনবি নিউজ : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দেশের সেরা বুদ্ধিজীবীদের হত্যার নীলনকশার দিন। সেই দিনে সমাবেশ করে বিএনপি কি বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে চায়?

আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত ‘বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশার দিন বিএনপির সমাবেশ কেন’ শীর্ষক মানববন্ধনে এই প্রশ্ন করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মিশন শুরু হয়েছিল ১০ ডিসেম্বর। সেদিন সাংবাদিক সিরাজ উদ্দীন হোসেনসহ বেশ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি বাহিনী। পরবর্তী সময়ে তাদের হত্যা করা হয়। সেই ১০ ডিসেম্বরই কেন সমাবেশ করার জন্য বেছে নিলো বিএনপি, সেটি একটি বড় প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই এখন বিএনপির নেতা। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বুদ্ধিজীবী হত্যার মিশন শুরু হয়। তারাও এখন বিএনপি জোটের প্রধান সহযোগী।

বঙ্গবন্ধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানেই পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। সে কারণে উদ্যানে সমাবেশ করতে চায় না বিএনপি। তারা পাকিস্তানের দোসর। তাদের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। সে জন্য ছাত্রলীগের সম্মেলন ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নিজামুল হক ভূঁইয়া, শহীদ বুদ্ধিজীবী কন্যা অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী, শমী কায়সার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতা শাহে আলম মুরাদ ও কৃষক লীগের শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা।

এ টি


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১