• বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
নোয়াখালীতে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সেবায় ছাত্রদল নেতা জিকু অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

তোর মেয়েকে ৬ টুকরা করেছি, তোকেও করা হবে: আলিনার বাবাকে হুমকি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২

 

ইপিজেড থানার ওসি আবদুল করিম বলেন, আলিনার বাবা থানায় জিডি করলে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। তিনি প্রথম আলোকে আরও বলেন, ‘হুমকির বিষয়টি থানা–পুলিশকে জানানো হয়নি। তারপরও আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’

নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকায় আলিনাদের বাসা। তার বাবা সোহেল রানা। তিনি স্থানীয় একটি মুদিদোকানের মালিক। ১৫ নভেম্বর বিকেলে আলিনা ইসলাম আয়াত বাসার পাশে একটি মক্তবে পড়তে যায়। পরে পরিবার জানতে পারে, শিশুটি মক্তবে যায়নি। উৎকণ্ঠায় থাকা পরিবার ১০ দিন পর গত শুক্রবার জানতে পারে, তাদের সন্তান খুন হয়েছে পরিচিতজন আবির মিয়ার হাতে। আয়াত তাঁকে ডাকত চাচ্চু বলে।

আবিরের বাবা ভ্যানচালক আজহারুল ইসলাম। তাঁরা আলিনাদের বাসায় ভাড়া থাকেন। ২৫ নভেম্বর আবিরকে গ্রেপ্তারের পর তিনি খুনের কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেন। এর চার দিন পর আলিনার লাশের অংশ উদ্ধার করে পিবিআই।

পিবিআই বলছে, ছয় থেকে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করার পরিকল্পনা ছিল আবিরের। অপহরণের পর শিশুটি চিৎকার করলে তাকে গলা টিপে হত্যা করে আবির। পরে তার লাশ ছয় টুকরা করে ফেলে দেন তিনি। ৩০ ডিসেম্বর বন্দরটিলা আকম আলী ঘাটসংলগ্ন স্লুইসগেট এলাকা থেকে দুটি পা এবং পরদিন একই এলাকা থেকে আলিনার মাথা উদ্ধার করে পিবিআই।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০