• সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বুধবার, ১১ মে, ২০২২

এনবি নিউজ : শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ঢাকা শহরে খেলাধুলার জায়গা কম। শহরের শিশুরা ফ্ল্যাটে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। ফ্ল্যাটে বাস করে শিশুরা ফার্মের মুরগির মতো হয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের বাবা-মায়েদের উচিত এমন ব্যবস্থা করা, যাতে তাদের ছেলেমেয়েরা হাত-পা ছুড়ে খেলতে পারে।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সরকার প্রধান বলেন, এখন তো মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, আইপ্যাড এগুলো ব্যবহার করে সারাক্ষণ ওর মধ্যে পড়ে থাকা, এটা আসলে মানসিকভাবে, শারীরিকভাবে সুস্থতার লক্ষণ না। সেজন্যই বাবা-মা, যারা গার্ডিয়ান, অভিভাবক- তাদেরকে আমি অনুরোধ করব কিছু সময়ের জন্য হলেও ছেলে মেয়েরা যাতে হাত-পা ছোঁড়ে খেলতে পারে সেটা আপনাদের উদ্যোগ নেয়া উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ খেলাগুলো আবারও চালু করার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা এ বিষয়ে সহায়তা করছি। আমরা চাই, আমাদের এ খেলাগুলো আরও এগিয়ে যাক।’

তিনি বলেন, ‘ডাংগুলি, কাবাডি থেকে শুরু করে আমাদের দেশীয় খেলাগুলো আন্তঃস্কুল প্রতিযোগাতায় আনতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেক এলাকায় খেলার মাঠ থাকা একান্তভাবে প্রয়োজন। ইতিমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছে যেখানে খালি জায়গা পাচ্ছি, খেলার মাঠ করে দিচ্ছি।’

দেশের প্রতিটি উপজেলায় ছোটো পরিসরে খেলার মাঠ নির্মাণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু নির্মাণ কাজে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে বলে সতর্ক করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সারাদেশে প্রত্যেক উপজেলায় খেলার মাঠ, সেই খেলার মাঠগুলো খুব বড় স্টেডিয়াম না, ছোটো করে, মিনি স্টেডিয়াম আমি নাম দিয়েছি। কাজেই সেটার নির্মাণকাজ চলছে। এটা সময় নিচ্ছে, আমি মনে করি এটা আরও দ্রুত শেষ করা দরকার। এপর্যন্ত ১৮৬টি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।’

আরও ১৭১টি উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘তবে আমি মনে করি, এ বিষয়ে যথেষ্ট সময় নেওয়া হচ্ছে, যাতে আর সময় নেওয়া না হয় সেটা দেখতে হবে।

প্রতি জেলায় জেলায় স্টেডিয়ামগুলোকে শুধু ক্রিকেটের জন্য নির্দিষ্ট না করে, সব খেলার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

খেলাধুলাকে এক ধরনের শরীরচর্চা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এতে শারীরিক, মানসিকভাবেও আমাদের ছেলেমেয়েরা যথেষ্ট উন্নত হবে।’
এ টি


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০