• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

দোকান বরাদ্দে অনিয়মের মামলায় সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২৪ ফেব্রুয়ারি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১

এনবি নিউজঃ রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালত, রাজধানীর ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে (ব্লক-২) দোকানের বৈধতা দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।

আজ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য থাকলেও পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরকার, উপসহকারী প্রকৌশলী মাজেদ, কামরুল হাসান, হেলেনা আক্তার, আতিকুর রহমান স্বপন ও ওয়ালিদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ডিএসসিসির তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকনসহ অন্য আসামিরা দোকান বরাদ্দের কথা বলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণা করে মোট ৩৪ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৫৭৫ টাকা বেনামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে গ্রহণ করেন। বাদী এ লেনদেনে বাধা দেওয়ায় আসামিরা তার প্রাণনাশের চেষ্টা করেন। আসামিরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়েছেন কিন্তু কোনো দলিলাদি দেননি।

প্রসঙ্গত গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট-২ এ নকশাবহির্ভূত দোকান অপসারণে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএসসিসি। এ সংস্থার তথ্যমতে, ওই মার্কেটে ৯১১টি নকশাবহির্ভূত দোকান রয়েছে। ইতিমধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবশিষ্ট নকশাবহির্ভূত দোকানগুলো উচ্ছেদ অভিযান চলছে।

অভিযান শুরুর দিন কয়েক দফায় দোকান মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা ৫৩৪ দোকান বৈধ। ১৯৯৭ সালে এসব দোকান বরাদ্দ দিয়েছিলেন প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফ। নকশাবহির্ভূত এসব বরাদ্দ পেতে সালামি পরিশোধ করেছেন দোকান মালিকরা।
এ ছাড়া নিয়মানুযায়ী মাসিক ভাড়াও পরিশোধ করেছেন তারা। প্রতিটি দোকানের বিপরীতে ট্রেড লাইসেন্সও রয়েছে। কিন্তু কোনো নোটিশ ছাড়াই দোকানগুলো উচ্ছেদ করছে ডিএসসিসি।

এ টি/ ৩১ জানুয়ারি ২০২১


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০