• বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন

গরু নিশ্বাসে নেয় অক্সিজেন, ছাড়েও অক্সিজেন : ভারতীয় বিচারপতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সংবাদটির পাঠক ৩ জন

এনবি নিউজ : পৃথিবীর সব প্রাণী নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন গ্রহণ এবং প্রশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দিলেও ভারতের এলাহাবাদ হাইকোর্টের একজন বিচারপতি এ ক্ষেত্রে গরুকে আলাদা মনে করছেন। তিনি বলছেন, গরুই পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র প্রাণী যারা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেন নিয়ে প্রশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেনই ত্যাগ করে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

শেখর কুমার যাদব নামের ওই বিচারপতিই সম্প্রতি গো-হত্যার এক মামলায় এক ব্যক্তির জামিন আবেদন নাকচ করে দেন ও গরুকে ভারতের জাতীয় পশু ঘোষণা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন।

জামিন নাকচের ওই একই আদেশে বিচারপতি আরও বলেছেন, ভারতে একটি প্রথা রয়েছে যে, যেকোনো পূজার আয়োজনে ঘি ব্যবহার করা হয়, যা তৈরি হয় গরুর দুধ থেকে। আর এই ঘি সূর্যরশ্মিকে বিশেষ এক শক্তি দেয়, যা শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত ঘটায়।

বিচারপতি যাদব গরুর শ্বাসযন্ত্রের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং অসাধারণ গুণাবলী থাকার দাবি করেছেন, উত্তরাখণ্ডের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংও একসময় এ ধরনের কথাবার্তা বলেছেন। ২০১৯ সালে এক বিবৃতিতে ত্রিবেন্দ্র সিং বলেছিলেন, গরুই একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যারা প্রশ্বাসের মাধ্যমে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ না করে অক্সিজেন ত্যাগ করে।

গরুর দুধ, দই, ঘি, গোমূত্র ও গোবর থেকে তৈরি পঞ্চগব্য বেশ কিছু রোগ নিরাময়ে সহায়ক বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই আদেশে।

আর্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা দিব্যনন্দ সরস্বতীকে ঊধ্বৃত করে বিচারপতি যাদব আরও বলেন, একটি গাভীর দুধে ৪০০-এর বেশি মানুষ উপকৃত হয়, কিন্তু একটি গরুর মাংস মাত্র ৮০ জন মানুষ খেতে পারে। যিশু বলেছেন, একটি গরু বা ষাঁড়ের প্রাণ নেওয়া একটা মানুষ হত্যার মতোই অপরাধ।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু গরু ভারতীয় সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাই এর মাংস খাওয়া এ দেশের কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার বলে বিবেচিত হতে পারে না।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭  

নামাজের সময় সূচি

    Dhaka, Bangladesh
    বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:২৯ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১২:১২ অপরাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:২৯ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৭:১১ অপরাহ্ণ