• শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা অনাবাদি রাখবো না: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

এনবি নিউজ : পরিবহন খরচ বেড়েছে, পণ্যমূল্য বেড়েছে, প্রতিটি জিনিসের মূল্য আজ ধরাছোঁয়ার বাইরে উল্যেক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমি সবার কাছে আহ্বান করেছি যেহেতু খাদ্যপণ্যের মূল্য বেড়ে গেছে এক ইঞ্চি জায়গাও আমরা অনাবাদি রাখবো না। সব অনাবাদি জমি আমরা আবাদের আওতায় আনবো।’

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ২১ মিনিটে তিনি সেনানিবাস উদ্বোধন করেন। এর আগে বেলা ১১টার দিকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকা থেকে তিনি মিঠামইনে পৌঁছান তিনি।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার কথা জানিয়ে ‘করোনা মহামারি, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা তার ওপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ যার ফলে আজ সারাবিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। অনেক উন্নত দেশ হিমশিম খাচ্ছে, আমাদের দেশে এখনও অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে সশ্রস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠেছে। আমরা সেনানিবাসের আধুনিকায়নে কাজ করে যাচ্ছি। এই সেনানিবাস হাওর এলাকার নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি।

‘এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনযুদ্ধে লড়াই করতে হয়। আমাদের রাষ্ট্রপতি এই অঞ্চল থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন। এই দুর্গম অঞ্চলের মানুষের পাশে থাকা, তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হওয়া, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিরলস পরিশ্রম করেছেন। তিনি যখন রাষ্ট্রপতি হন তখন তিনি ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন এই অঞ্চলে একটি সেনানিবাস হোক। তারই ইচ্ছায় এই সেনানিবাস আমরা গঠন করেছি এবং তার নামেই এই সেনানিবাস আমরা উৎসর্গ করেছি। তার নামে এই সেনানিবাস করতে পেরে আমরা সত্যিই খুব আনন্দিত।’

এরপর দুপুর ৩টায় মিঠামইন সদরের হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে মিঠামইন ছেড়ে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে হাওরের প্রতিটি প্রবেশপথ ও পয়েন্ট। হাওরে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্রের মাধ্যমে সাজানো হয়েছে। সর্বত্র শোভা পাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত সরকারে উন্নয়ন চিত্রের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জনসভাকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে হাওর জনপদে।

এ টি


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০