• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক বাপ্পিকে সংবর্ধনা উপজেলা নির্বাচন প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ওবায়দুল কাদেরের ভাই নোয়াখালীর চাটখিলে ভুমি নিয়ে বিরোধ, আহত ৪, গ্রেফতার ২ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জায়গা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে ৫ জনের উপর হামলা মুজিব বাহিনীর প্রধান মাহমুদুর রহমান বেলায়েতের স্মরণে শোক সভা সোনাইমুড়ীতে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা কাতারে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রবাসীরা মামুন হোসেনকে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় সুবর্ণচরে ভূমিহীনদের উপর হামলা ও বন্দোবস্ত দেয়ার দাবিতে ৭শ পরিবারের মানববন্ধন সুবর্ণচরে সিঁধ কেটে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ হাতিয়ায় নানা আয়োজনে“ শেখ রাসেল স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট ” উদ্বোধন

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে দক্ষ হিসেবে তৈরী করছি: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩ সংবাদটির পাঠক ৩ জন

এনবি নিউজ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে এমনভাবে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলছে যাতে বাংলাদেশ কোনভাবে আক্রান্ত হলে তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করবো না। তবে, যদি কখনো তেমন পরিবেশ-পরিস্থিতি হয় তাহলে যেন আমরা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারি সেইভাবে আমাদেরও দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং সেইভাবেই আমরা আমাদের বাহিনীগুলোকে তৈরী করে দিচ্ছি।”

আজ অপরাহ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজারের পেকুয়ায় নবনির্মিত ঘাঁটির সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর নবনির্মিত ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ সাবমেরিন ঘাঁটির কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

জাতির পিতার দিয়ে যাওয়া পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়,’ এর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। তবে, আমাদের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক, তারা সকল ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করুক সেটাই আমরা চাই।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশাল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। সেখানে কর্তব্য পালনে তারা যেন কোনভাবেই পিছিয়ে না থাকে সেভাবেই আমরা এই বাহিনীগুলোকে প্রস্তুত করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি আশা করি দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নৌ-বাহিনীর প্রতিটি সদস্য পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে স্বপ্ন-সেই ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত, উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। এই সমুদ্র সীমায় আমাদের যে বিশাল সম্পদ রয়েছে সেই সমুদ্র সম্পদ যাতে আমাদের অর্থনীতিতে কাজে লাগে সেজন্য ‘ব্লু ইকোনমি’ নীতি বাস্তবায়ন করছে সরকার। তাছাড়া, এক্ষেত্রে আমাদের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা থেকে শুরু করে অনেক সুযোগ রয়েছে কাজ করার।

সরকার প্রধান দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেন, বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাঁটি সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা সুরক্ষিত রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরো জোরালো হবে।

অনুষ্ঠানে বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাঁটি থেকে নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত একটি চৌকষ দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।

নৌ-বাহিনী প্রধান এডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে নৌবাহিনী প্রধান বানৌজা শেখ হাসিনা ঘাঁটির প্রধান কমোডর এম. আতিকুর রহমানের নিকট কমিশনিং ফরমান হস্তান্তর করেন। এরপরই ঘাঁটিতে প্রথমবারের মত পতাকা উত্তলন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সাবমেরিন ঘাঁটির ওপর একটি সংক্ষিপ্ত অডিও ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনও প্রদর্শিত হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার শুধু সামরিক ক্ষেত্রে সক্ষমতা বৃদ্ধিই নয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও বহুমুখী পদক্ষেপ প্রহণ করেছে উল্লেখ করে তাদের জন্য বহুতল ভবন, বিনোদনের সুব্যবস্থা, সন্তানদের সুশিক্ষার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তার সরকারের পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন প্রধনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা চাই আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশ আরো বেশি উন্নত-সমৃদ্ধ হবে। সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আমরা আমাদের উন্নতি ও সমৃদ্ধির সোপান ধরে এগিয়ে যাচ্ছি এবং বাংলাদেশ আজকে সারাবিশ্বের কাছে ‘উন্নয়নের রোলমডেল’। আমরা আজকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। ইনশাল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলে ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। তাই, আমাদের নৌ-বাহিনীও স্মার্ট বাহিনী হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা সেভাবেই আমাদের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন করে গড়ে তুলছি।

’৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর কোন সরকারই বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখেনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশের সমুদ্র সীমার অধিকার আদায় ও সুরক্ষিত করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, সামুদ্রিক এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪ প্রণয়ন করেছিলেন। যদিও জাতিসংঘ এই আইন প্রণয়ন করে ১৯৮২ সালে। জাতির পিতা ঐতিহাসিক ৬ দফাতেও পূর্ব বাংলায় নৌবাহিনীর সদর প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিরক্ষা নীতি-১৯৭৪-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে এবং এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও সময়োপযোগী হিসেবে রূপান্তরের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে ৪টি ফ্রিগেট, ৬টি করভেট, ৪টি বড় প্যাট্রোল ক্রাফট, ৫টি প্যাট্রোল ক্রাফট এবং ২টি প্রশিক্ষণ জাহাজসহ মোট ৩১টি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়েছে। আর সামরিক শক্তিতে বাংলাদেশের নতুন মাইলফলক হলো এ সাবমেরিন ঘাঁটি।

“আমরা ২০১৭ সালের ১২ মার্চ দুটি সাবমেরিন যুক্ত করেছি। ফলস্বরূপ, আজ আমাদের নৌ-বাহিনী একটি ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে,” তিনি যোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্থানীয় শিপইয়ার্ডে নিজের এবং অন্যদের ব্যবহারের জন্য জাহাজ নির্মাণ করছে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা শিপইয়ার্ডে একটি বড়সহ পাঁচটি প্যাট্রোল ক্রাফট নির্মাণ সম্পন্ন করেছে।

তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলকালিন ‘অপারেশন জ্যাকপট’ সহ নৌ কমান্ডোদের বীরত্ব গাঁথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সূত্র: বাসস

এ টি


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

নামাজের সময় সূচি

    Dhaka, Bangladesh
    বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৫:২২ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১২:০৫ অপরাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:২৬ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৮:১২ অপরাহ্ণ