• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

৩১ মণের ‘মিস্টার বাংলাদেশ’, দাম হাঁকছে ৩২ লাখ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১

সাগর হোসেন  : প্রতিদিন তিন থেকে চার রকমের ডাল, ছোলা ও গমের পাশাপাশি রাখা হয় সবুজ ঘাস। সব মিলিয়ে ৩৫–৪০ কেজি খাবার দরকার হয় ‘মিস্টার বাংলাদেশ’ নামের গরুটির।কুচকুচে কালো, মসৃণ পুরো শরীর। স্বভাবে কিছুটা রাগী। সঙ্গে থাকেন চার–পাঁচজন। হাঁটাচলায় বেশ চনমনে ভাব। ওজন ৩১ মণের কম নয়। উচ্চতা ছয় ফুট। আর দৈর্ঘ্যে ১০ ফুটের মতো। নাম তার ‘মিস্টার বাংলাদেশ’। তবে পরিচর্যাকারী ‘বাপ’ ডাকতেই উঠে দাঁড়ায় এটি। এবারের কোরবানির ঈদে চট্টগ্রামের বাজার মাতাতে প্রস্তুত গরুটি। দাম হাঁকা হয়েছে  প্রথমে ৩৫ এবং পরে ৩২ লাখ টাকা।

সারা অ্যাগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলিফ চৌধুরী  এনবি নিউজকে বলেন, হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু এটি। চঞ্চল, খানিকটা রাগী। বয়স সাড়ে চার বছর। তাঁদের খামারে আনা হয়েছে সাত মাস আগে। এর আগে ঢাকার একটি খামারে ছিল। তাঁদের খামারে এনে নাম রাখা হয়েছে ‘মিস্টার বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, অত্যন্ত আরামপ্রিয় গরু এটি। শুকনা জায়গায় ফ্যান ছেড়ে রাখতে হয়। পরিচর্যার জন্য তিন–চারজনকে ব্যস্ত থাকতে হয়।

অনলাইনেও চলছে বিক্রি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সারা অ্যাগ্রো ফার্মের নামে পেজ রয়েছে। এ পেজের মাধ্যমে চলছে গরু বিক্রির কাজ। কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের খামারে মিস্টার বাংলাদেশ ছাড়া আরও ৪০০টি গরু রয়েছে। ইতিমধ্যে অর্ধেক গরু বিক্রি হয়ে গেছে। এ ছাড়া ঢাকার মোহাম্মদপুরে চন্দ্রিমা মডেল টাউনে রয়েছে তাদের খামারের আরেকটি শাখা। ওই খামারে ২০০টি গরু আছে। ইতিমধ্যে ৬০ শতাংশ গরু বিক্রি হয়েছে। আর অনলাইনের মাধ্যমেই বেশির ভাগ গরু বিক্রি হচ্ছে।

খামারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলিফ চৌধুরী বলেন, করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে। অনেকেই এবার ভিড় ঠেলে বাজারে গিয়ে গরু কিনবেন না। এ কারণে আগেভাগেই অনলাইনে গরুর বিস্তারিত দেখে খামারে এসে কিনে নিচ্ছেন কেউ কেউ। এ ছাড়া প্রতিনিয়ত ফেসবুক পেজে গরুর ছবি ও দাম পোস্ট করেন তাঁরা।

আজ দুপুরে নুরুল আকতার নামের এক ব্যবসায়ী এসেছিলেন গরু দেখতে। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রাম নগরের সিঅ্যান্ডবি এলাকায়। তিনি বলেন, কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। করোনা সংক্রমণের হারও বাড়ছে। এ অবস্থায় বাজারে গিয়ে ভিড়ের মধ্যে গরু কেনা ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে খামার কিংবা গ্রামের বাসাবাড়ি থেকে গরু কিনতে চান তিনি। মূলত এ কারণেই গরু দেখতে এসেছেন। দামে মিলে গেলে কিনে ফেলবেন।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০