• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

পৃথিবী ছেড়েছে বৃহত্তম টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

এনবি নিউজ : সফলভাবে পৃথিবীর মাটি ছেড়েছে বৃহত্তম টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব। এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত টেলিস্কোপটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান অ্যারিয়ান রকেটের মাধ্যমে কক্ষপথের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে হাবল নামে যে মহাশূন্য টেলিস্কোপটি কাজ করছে, তার চেয়ে জেমস ওয়েব প্রায় তিনগুণ বড় এবং ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। একত্রিশ বছর ধরে মহাকাশে অবস্থান করা হাবলের আবিষ্কার কার্যক্রমকে বেগবান করবে জেমস ওয়েব।

টেলিস্কোপটির নকশা তৈরি ও নির্মাণে বিজ্ঞানীদের ৩০ বছর লেগেছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, নিকটতম তারা এবং মহাবিশ্বের জাজ্বল্যমান ছায়াপথের চিত্র ধারণের চেষ্টা করা। এ ছাড়া দূরবর্তী গ্রহে গ্যাসের উপস্থিতি মেলে কি না, তা জানতে বায়ূমণ্ডলও খতিয়ে দেখতে পারবে টেলিস্কোপটি। এর ফলে সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের বিষয়েও তথ্য মিলতে পারে।

টেলিস্কোপটি মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইতিহাস নিয়ে নতুন ধারণা দিতে সহায়তা করবে। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রশ্নের (মহাবিশ্বের শুরুটা কীভাবে হয়েছিল এবং আমরা কি এখানে একাই) উত্তর পেতে কাজে দেবে। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ যদি এ প্রশ্নের জবাব দিতে পারে, তাহলে বিপুল অর্থব্যয় পুষিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ সময় গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে (১২টা ২০ জিএমটি) অর্থাৎ ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে টেলিস্কোপটি উড্ডয়ন করে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্মাণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে টেলিস্কোপটির সবকিছু ফ্রেঞ্চ গায়ানায় নেওয়া হয়।

মহাকাশে প্রবেশ করতে টেলিস্কোপটি ২৭ মিনিটের নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ কার্যক্রমে সফল হয়েছে। এরপর প্রতিটি অংশের সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধাপ রয়েছে। সেগুলো ঠিকঠাক মতো কাজ করতে হবে। এরপর রয়েছে প্রায় এক মাসের যাত্রা। পৃথিবী থেকে দেড় কোটি কিলোমিটার দূরত্বে স্টেশন করে টেলিস্কোপটি কাজ করতে শুরু করবে।

টেলিস্কোপটির উড্ডয়নের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে সফলতম অ্যারিয়ান ফাইভ সিরিজের রকেট। ৯৮ শতাংশের বেশি সাফল্য রয়েছে এর। সর্বশেষ ২০০২ সালে ব্যর্থ হয়েছিল এ সিরিজের একটি রকেট।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপটির মধ্যে সাড়ে ছয় মিটার চওড়া একটি সোনালি আয়না রয়েছে। চারটি সুপার-সেন্সিটিভ যন্ত্রের দিকে মুখ করে থাকা এ আয়না টেলিস্কোপটিকে পরিচিত তারা থেকে আগত আলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে। যন্ত্র চারটিতে এক হাজার ৩৫০ কোটির বেশি বছর পর্যন্ত আগের বিষয় নিয়ে বোঝাপড়ার সক্ষমতা স্থাপন করা হয়েছে।

প্রকল্পটি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (নাসা), ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইএসএ) এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে প্রথম চাঁদে মানুষ পাঠানো প্রকল্পের প্রকৌশলীদের অন্যতম জেমস ওয়েবের নামে নামকরণ হয়েছে এ টেলিস্কোপটির।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০