• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
আর্থিক অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল বেগমগঞ্জের সন্তান মামুনের ঢাকা বার জয় ফেনীতে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত বেগমগঞ্জ ডায়বেটিক সমিতির উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে যাত্রা শুরু “ওরগ্যানাইজেশন ফর ডিবেট ডেভেলপমেন্ট সংগঠনের চৌমুহনী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি অভিযোগ চাঁদপুরে হেযবুত তওহীদের ইদ পুনর্মিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সেবায় ছাত্রদল নেতা জিকু অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ

জঙ্গি ছিনতাই : চারজনকে আলাদা করার তথ্য জঙ্গিরা কি জানত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

সেদিন হাজতখানার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। চার জঙ্গিকে আলাদা করে হাজতে নেওয়ার বিষয়ে জানতে ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার জসিম উদ্দীনের সঙ্গে গতকাল শুক্রবার মুঠোফোনে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেছে এনবি নিউজ। তিনি ফোন ধরেননি। পরে এ বিষয়ে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অবশ্য ঘটনার পর হাজতখানার দায়িত্বে থাকা পুলিশের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় এরই মধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র বলছে, ব্লগার, লেখক ও প্রকাশক হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও জঙ্গিদের কেউ কেউ কারাগারে মুঠোফোন ব্যবহার করতেন। ছিনিয়ে নেওয়ার পুরো পরিকল্পনা তাঁদের আগেই মুঠোফোনেই জানিয়ে দেন কারাগারের বাইরে থাকা জঙ্গিরা। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আদালতের ফটকে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হন তাঁরা ।

কাশিমপুর কারাগারের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবি নিউজকে বলেন, জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার কিছু আগে কারাবন্দী তিন জঙ্গির কাছ থেকে তিনটি মুঠোফোন উদ্ধার করেন তাঁরা। তবে ওই মুঠোফোন কীভাবে কারাগারে ঢুকল, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

কারাগারে কীভাবে জঙ্গিদের কাছে মুঠোফোন গেল, এ বিষয়ে কাশিমপুর কারাগার-২–এর জেলার মুহাম্মাদ এনায়েত উল্যাহ প্রথম আলোকে বলেন, এ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে চান না।

২০ নভেম্বর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ফটকে পুলিশকে মারধর ও চোখে পিপার স্প্রে করে নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের দুই সদস্যকে ছিনিয়ে নিয়ে যান জঙ্গিরা। তাঁরা হলেন মইনুল হাসান শামীম ওরফে সিফাত সামির ও মো. আবু ছিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব। ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গি জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন এবং লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। এ ছাড়া আরও কয়েকটি হত্যা মামলারও আসামি তাঁরা।

জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, চারজনকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও আরাফাত রহমান ও আবদুস সবুর ওরফে রাজু ওরফে সাদ ওরফে সুজনকে নিতে পারেননি বাইরে থাকা জঙ্গিরা।

এ ঘটনায় জড়িত মেহেদী হাসান নামের এক জঙ্গিকে গত বুধবার যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় হামলাকারীদের দলে ছিলেন।

সিটিটিসির উপকমিশনার এস এম নাজমুল হক এনবি নিউজকে বলেন, হামলার পরিকল্পনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে মেহেদী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন রিমান্ডে। তার দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৭৮৯১০১১
১১৩৪১৫১৬১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৯৩০৩১