• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
বেগমগঞ্জের সন্তান মামুনের ঢাকা বার জয় ফেনীতে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত বেগমগঞ্জ ডায়বেটিক সমিতির উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে যাত্রা শুরু “ওরগ্যানাইজেশন ফর ডিবেট ডেভেলপমেন্ট সংগঠনের চৌমুহনী খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি অভিযোগ চাঁদপুরে হেযবুত তওহীদের ইদ পুনর্মিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সেবায় ছাত্রদল নেতা জিকু অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত

শিশুর যখন প্রথম দাঁত ওঠে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

এনবি নিউজ : শিশুর প্রথম ছয় মাস তো মোটামুটি দুধের ওপর দিয়েই কেটে যায়। এর মধ্যেই এসে পড়ে মুখে ভাতের অনুষ্ঠান। ভাত, সবজি সিদ্ধ এসব খাওয়ানোর সাথে সাথে বাড়ির বড়রা সবাই পরখ করে দেখেন দাঁত উঠেছে তো? নিচের পাটিতে খুদে খুদে দুইটা দাঁত উঠলেই বাড়িতে সাড়া পড়ে যায়। যেন এখনই ছোট সদস্যটি সবকিছু খাওয়ার জন্য প্রস্তুত।

আর যার দাঁত উঠতে দেরি হয় তার বাবা-মায়ের চিন্তার অন্ত নেই। কেন এখনো উঠছে না? কোনো সমস্যা হবে নাতো?

সত্যিই শিশুর প্রথম দাঁত ওঠা একটা বড় ব্যাপার। তাই আজ থাকছে প্রথম দাঁত এবং সেই দাঁতের যত্ন নিয়ে কিছু কথা।

সাধারণত শিশুদের ছয় মাস থেকে নয় মাসের মধ্যে দাঁত ওঠে। কোনো কোনো শিশুর তার আগে ওঠে আবার কারো কারো এক বছরও সময় লেগে যায়। দুই এক মাসের পার্থক্য নিয়ে খুব একটা চিন্তার কিছু নেই। তবে খুব চিন্তা হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলবেন। সাধারণত দুধের দাঁত জোড়ায় জোড়ায় বের হয়। দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে শিশুর সব দাঁতই উঠে যায়।

দাঁত ওঠার সময় শিশুর মাড়িতে সামান্য ব্যথা হতে পারে। সব শিশুর ব্যথা সহ্য করার ক্ষমতা সমান নয়। তাই একেকজনের ক্ষেত্রে দাঁত ওঠার লক্ষণ একেক রকম। এই সময়ে মুখ দিয়ে বেশি লালা ঝরে। পাতলা সুতির বিব দিয়ে মাঝে মাঝে মুছিয়ে দিতে হবে। এ সময়ে বিরক্তি ও ঘ্যানঘ্যানেভাবও থাকতে পারে। খাওয়াতেও অনীহা দেখা দেয়। এগুলো আবার নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। তবে জ্বর বা ডায়েরিয়া হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

দাঁত ওঠার আগে ও পরে শিশুর মধ্যে সব কিছু কামড়ে দেখার প্রবণতা দেখা দেয়। এই সময়ে ওকে একটু সাবধানে রাখা দরকার যাতে ও যা খুশি তাই মুখে না দিতে পারে। ওর জন্য নন টক্সিক মেটেরিয়ালের তৈরি টিদার কিনতে পারেন। অনেক টিদারের ভিতরে লিকুইড ভরা থাকে, এগুলো কিছু সময় ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা হলে শিশুকে দিন। ঠাণ্ডা স্থানে কামড় বসালে শিশুর আরাম লাগবে।

কয়েকটা দাঁত উঠে গেলে আপনি নিজেই ওর দাঁত পরিষ্কার করে দিতে পারেন।  তর্জনিতে ভালো করে পরিষ্কার গজ কাপড় পেঁচিয়ে ওর দাঁত পরিষ্কার করে দেবেন। অথবা আঙুলে পরে নেওয়া যায় এমন প্লাস্টিক কভারিং এবং ব্রিসল দেওয়া ফিংগার ব্রাশও পাওয়া যায়। যা আপনি নিজে আঙুলে পরে ওর দাঁত পরিষ্কার করে দিতে পারবেন। দেড় বছর বয়স থেকে ওকে বেবি টুথপেস্ট এবং ব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা শেখান।

শিশুকে মিষ্টি, চকলেট কম খাওয়ান। রাতে শুতে যাওয়ার আগে তো একেবারেই নয়। রাতে শুয়ে ফিডারে দুধ খেলেও কিন্তু ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। সেদিকে খেয়াল রাখুন।

এটি


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১