অবশ্য আদালত চত্বরে পুলিশের হাত থেকে দুই জঙ্গির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যে ব্যর্থতা ছিল, সে কথাও স্বীকার করছেন র্যাবের মহাপরিচালক ।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা আত্মসমালোচনায় বিশ্বাস করি। আমি অবশ্যই আমার দুর্বলতা থাকলে স্বীকার করব। দুই জঙ্গি পালিয়ে গেছে, এটা আমাদের ব্যর্থতা। দুইজন জঙ্গি চলে গেছে এবং হয়ত তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করেই গেছে। তাদের এখনো ধরতে পারিনি, কিন্তু আমাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছি।”
তিনি জানান, আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নিরাপত্তা দিতে বিভিন্ন পয়েন্টে র্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স, পেট্রোল পার্টি থাকবে। ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। বম ডিসপোজাল টিম, সাদা পোশাকের সদস্যরাও সতর্ক থাকবেন মাঠে।
“এবং আমাদের কমান্ডো টিম প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং সম্মেলনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য র্যাব ফোর্সেস সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।
“আমরা চাই যে কোনো একটা অনুষ্ঠান যাতে সুন্দরভাবে হতে পারে। যারা আসবে, নিরাপত্তার সাথে আসবেন, নিরাপত্তার সাথে চলে যাবেন। কোনো ধরনের ঝামেলা যাতে না হতে পারে, বা বাইরে থেকে যাতে কোনো অপশক্তি এসে ঝামেলা করতে না পারে, এটা মাথায় রেখেই আমাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে র্যাব প্রধান বলেন, সম্মেলনে যারা আসবেন তারা আমন্ত্রিত, সবাইকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। কার্ড যাচাইয়ের কাজটি করবে মূলত এসবি। আর র্যাবের কাজ হবে তল্লাশি করা।