• বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
অবশেষে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন লুবাবা নোয়াখালী কারাগার যেন একরামের রাজপ্রাসাদ কুমিল্লায় তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পরিবেশ রক্ষায় নোয়াখালীর নয় উপজেলার ৯শ চারা গাছ বিতরণ নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ কর্মীদের তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রে নারীর অধিকার পুনরুদ্ধার সম্ভব- রুফায়দাহ পন্নী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার উপর মুক্ত আলোচনা “আল-হিবা ফাউন্ডেশন’ এর উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরন আল-হিবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে শীতার্তদের মাঝে এফপিজি’র কম্বল বিতরণ

ঈদকে সামনে রেখে মুরগি, মসলা ও চিনির দাম বেড়েই চলেছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১

 

এনবি নিউজ : রমজান মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দর নেমে এসেছিল ১৩০ টাকা কেজিতে। কিন্তু ঈদের এক সপ্তাহ আগে দাম আবার বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি, পাশাপাশি দেশি মুরগি ও সোনালিকার (কক) দামও বেড়েছে।

রাজধানীর রায়েরবাজার, হাতিরপুল বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, সোনালিকা মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৮০-৬০০ টাকা কেজি দরে এখন বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের আগে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মুরগির দাম বাড়ছে। একইভাবে দাম বেড়েছে মুরগি ও মাংস রান্নার প্রয়োজনীয় উপাদান মসলারও। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলাচি, জিরা, দারুচিনি ও লবঙ্গের দাম বেড়েছে মানভেদে কেজিপ্রতি সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

বাজারে খোলা চিনির দামও কেজিতে দুই টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। বিভিন্ন ধরনের সেমাইয়ের দামও গত বছরের চেয়ে এবার কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেশি।
হাতিরপুল কাঁচাবাজারের মায়ের দোয়া পোলট্রি হাউসে গতকাল ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৬০ টাকা, সোনালিকা মুরগি ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রেতা দীন মোহাম্মদ বলেন, দুদিন ধরে মুরগির দাম বাড়তি। ঈদের কারণে দাম বেড়েছে।

এবারের রমজানে সিটি করপোরেশন গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করে দেয়নি। ফলে রোজার শুরু থেকেই বিভিন্ন বাজারে ইচ্ছেমতো দামে গরু মাংস বিক্রি করছিলেন ব্যবসায়ীরা। জিগাতলা বাজারের মাংস বিক্রেতা সেন্টু হাওলাদারের দোকানে রোজার শুরুতে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গতকাল দাম ছিল ৬০০ টাকা। ঈদের আগে দাম আরও বাড়বে বলেও জানান এই মাংস বিক্রেতা।

মসলার চড়া দাম

রায়েরবাজার ও কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি এলাচি ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা, জিরা ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা, দারুচিনি ৪০০-৪৫০ টাকা, লবঙ্গ ৯০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আলুবোখারা ৪৪০ থেকে ৬০০ টাকা, জয়ত্রী ২ হাজার ৪২০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা এবং জায়ফল বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।

বাজারে আছে নানারকম মসলা

বাজারে আছে নানারকম মসলা

রায়েরবাজারের মসলা বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, রোজার আগেও প্রতি কেজি আলুবোখারার দাম ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা ছিল, এখন ৪৪০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের মসলা ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেন বলেন, জয়ত্রী মসলা ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও এই মসলার প্রতি কেজি দর আড়াই হাজার টাকা ছিল।

বাজারের প্রতি কেজি খোলা লাচ্ছা সেমাই ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, আর লম্বা সেমাইয়ের (বাংলা সেমাই) দাম ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির ২০০ গ্রামের লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়।

সেমাই কিনছেন ক্রেতারা।

সেমাই কিনছেন ক্রেতারা।

রায়েরবাজারে গতকাল সেমাই কিনতে আসেন গৃহকর্মী ফেরদৌসী খাতুন। তিনি বলেন, সারা বছর খাওয়া হয় না। শুধু ঈদ এলেই সেমাই কেনেন। কিন্তু গতবারের চেয়ে এবার সেমাইয়ের দাম বেশি। সব পণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকায় তাঁদের মতো মানুষ খুব চাপে আছেন।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০