রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে গেলে দুর্বল অর্থনীতি যে আরও নাজুক হবে তা মনে করিয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ এশিয়া সেন্টার অব দ্য আটলান্টিক কাউন্সিলের ফেলো সুজা নওয়াজ।
তিনি মনে করেন, পাকিস্তান এখন রাজনৈতিক আলোচনায় নেই, দলগুলো একে অপরের অতীত নিয়ে পড়ে আছে। হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।
“পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি, প্রথমত পাঞ্জাব সরকারের তরফে এবং তারপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে। গুলি ও অস্ত্রের ফরেনসিক প্রমাণ জরুরি। তা না হলে আগামীর রাজনৈতিক অস্থিরতা টালমাটাল অর্থনীতিকে পর্যদুস্ত করে ফেলবে।”
পাকিস্তানের সেরাইকি পার্টির প্রধান নুখবাহ তাজ বলেন, পাকিস্তানের রাজনীতিতে অসহনশীলতা ও ঘৃণা বেড়েই চলেছে। নিজেরা সংশোধন না হলে মানুষের জীবন দিনকে দিন সস্তা থেকে আরও সস্তা হয়ে উঠবে।
দেশটির সাংবাদিক মোশাররফ জাইদি মনে করেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পিটিআইয়ের বিবৃতিতে আগের চাইতে বেশি ক্ষোভ থাকবে। রানা সানাউল্লাহর (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) মত ক্ষমতাসীন নেতাদের বক্তব্য বিদ্বেষ আরও বাড়িয়ে তুলবে। সব মিলিয়ে মার্চের পর থেকে যে রাজনৈতিক সংকট চলছে তা সমাধানের তেমন কোনো আশা দেখা যাচ্ছে না।