‘কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের জন্য উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত ও সরবরাহ প্রসঙ্গে’ শীর্ষক চিঠিতে বলা হয়েছে, যাঁদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি, যেসব জনগোষ্ঠী থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর শঙ্কা বেশি এবং আক্রান্ত হলে জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি, এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানভিত্তিক তালিকা তৈরি করতে হবে। সে ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সম্মুখসারির কর্মীরা অগ্রাধিকার পাবেন।
এরপর ১৫টি জনগোষ্ঠীর তালিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রতিরক্ষাকাজে নিয়োজিত বাহিনীর সদস্য, রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার কর্মী, ধর্মীয় প্রতিনিধিরা, মৃতদেহ দাফন বা সৎকারকাজে নিয়োজিত ব্যক্তি, জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি, নৌ-রেল-বিমানবন্দরে কর্মরত ব্যক্তি, মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সরকারি কার্যালয়ে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী। চিঠিতে নির্দিষ্ট ছকে তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। তাতে অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে নাম, পেশা ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিতে বলা হয়েছে।
সরকারের প্রস্তুতির ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাবলিক অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য জনস্বাস্থ্যবিদ আবু জামিল ফয়সাল এনবি নিউজকে বলেন, ‘টিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা কিছুটা দূর হয়েছে। শৃঙ্খলা রক্ষা করে ঠিক মানুষকে টিকা দিতে হবে। তাড়াহুড়া করার কিছু নেই। বিশৃঙ্খলা হলে মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।’
মিখা/২৩ জানুয়ারি’২০২১